সকাল ৬:৪৮, রবিবার, ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামের পাহাড় থেকে ৫০০ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

আজকের সারাদেশ প্রতিবেদন:

চট্টগ্রামের আকবর শাহ থানা এলাকায় অবৈধভাবে পাহাড় দখল করে তৈরি ৫০০ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) আকবরশাহ থানার ফয়েজ লেক বেলতলীঘোনা এলাকায় এই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি), কাট্টলী সার্কেল মো. উমর ফারুক।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, সম্প্রতি চট্টগ্রামের পাহাড় রক্ষায় হিউম্যান রাইটস এন্ড পিস ফর বাংলাদেশ (HRPB) নামের একটি সংগঠন সুপ্রীম কোর্টে একটি রীট পিটিশন দায়ের করে। এই পিটিশিনের রায়ে জেলার বায়েজিদ, আকবরশাহ, খুলশী থানা এলাকা, সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর-আলীনগর  এলাকা এবং অন্যান্য পাহাড়ি এলাকায় অবৈধভাবে পাহাড় দখল করে তৈরি স্থাপনা উচ্ছেদের নির্দশ দেওয়া হয়।

রায়ের নির্দেশ বাস্তবায়নে অভিযানটি পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন। এর আগে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত পাহাড় ব্যবস্থাপনা কমিটির ২৬তম তম সভায় পাহাড় থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. তৌহিদুল ইসলাম বলেন, ‘হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশে এই অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযানের প্রথম দিনে ফয়েজ লেকের পাশে লট-৯ পাহাড়তলী মৌজার ৮ একর পাহাড়ি জায়গা থেকে প্রায় ৫০০ টি (পাঁচশত) স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানের পর স্থানটি পুনরায় যাতে দখল না হয় সেজন্য পিলার ও কাঁটা  তারের বেষ্টনী দেওয়া হয়েছে। সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আনসার মোতায়েন করা হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বেলতলীঘোনার উত্তর পাহাড়তলী মৌজার আরো প্রায় তিন একর পাহাড়ি খাস জমি দখল করে নির্মিত ঘরগুলোর মালামাল অপসারণ করা হয়েছে। সেখানে ৫০ টির মতো স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর আকবর শাহ, খুলশী, সীতাকুণ্ড, বায়েজিদ থানা সহ অন্যান্য পাহাড়ি এলাকার অবৈধ স্থাপনা অপসারণ ও উচ্ছেদ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

অভিযানে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ, আনসার, পরিবেশ অধিদপ্তর, পিডিবি, ওয়াসা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ও কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি সহযোগীতা করেন বলে জানান তিনি।

আজকের সারাদেশ/৬জুলাই/এএইচ