রাত ৪:৪৫, সোমবার, ৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

‘বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীর দল, তা আবারো প্রমাণ করল’

আজকের সারাদেশ প্রতিবেদন:

বিএনপি-জামায়াত জ্বালাও পোড়াও রাজনীতিতে বিশ্বাসী। তারা আগের মতো সন্ত্রাসী পথ বেছে নিয়েছে বলে মনে করছেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। দেশব্যাপী বিএনপির পদযাত্রা দ্বিতীয় দিন বুধবার (১৯ জুলাই) চট্টগ্রাম নগরীরতে আওয়ামী লীগের একটি নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এর প্রতিক্রিয়ায় এসব কথা বলেন ক্ষমতাসীন দলটির নেতাকর্মীরা।

বিএনপির পদযাত্রা কর্মসূচি পালনের সময় নগরীর ওয়াসা মোড়ে চট্টগ্রাম-১০ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চুর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালানো হয়। এরপর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নগরীর কাজির দেউড়ির নসিমন ভবনে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ।

হামলার বিষয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় ওমরগণি এমইএস কলেজ ছাত্র সংসদের সাবেক জিএস আরশেদুল আলম বাচ্চু বলেন, ‘বিএনপি আবারও সন্ত্রাসী কার্যক্রম বেছে নিয়েছে। মহিউদ্দিন বাচ্চু ভাইয়ের অস্থায়ী নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা করেছে। আমাদের নেতা-কর্মীরা তা প্রতিরোধ করেছে। তারা সন্ত্রাসী কায়দায় ৮-১০টি গাড়ি ভাঙচুর করেছে। বিএনপি-জামায়াত যে সন্ত্রাসী দল, আবারও তার প্রমাণ দিল।’

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সম্পাদক ও ওমরগনি এমইএস কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি হাবিবুর রহমান তারেক বলেন, ওয়াসার মোড়ে চট্টগ্রাম-১০ আসনে উপনিবার্চনে আওয়ামিলীগ মনোনীত সংসদসদস্য প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চুর প্রধান নিবার্চন কার্য়ালয়ে অহেতুক হামলা করেছে বিএনপি। এ হামলা ও ভাঙচুরের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। বিএনপি সন্ত্রাসীরা হামলা-ভাঙচুর করে জনমনে অশান্তি সৃষ্টির পায়তাঁরা চালাচ্ছে। অহেতুক বিনা উস্কানিতে এ ধরণের হামলায় যারা জড়িত তাদের ভিডিও ফুটেজ দেখে আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানাচ্ছি।

নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি জাকারিয়া দস্তগীর বলেন, সরকার বিএনপিকে গণতান্ত্রিক দল হিসেবে সভা সমাবেশের অনুমতি দিয়েছে। কিন্তু তারা আবারও পুরোনো রূপে ফিরে গেছে। আগুন সন্ত্রাসের পথ বেঁচে নিয়েছে। চট্টগ্রাম-১০ আসনের প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে প্রমাণ দিয়েছে তারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। তারা জনগণের সম্পদের ক্ষতি করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। এখন আর সুন্দর ভাষায় তাদের বুঝানো হবে না। তারা সে ভাষায় বুঝে সে ভাষায় তাদের বুঝানো হবে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক উপ শিক্ষা ও পাঠচক্র সম্পাদক ও ওমরগনি এমইস কলেজ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক মো. ইলিয়াস উদ্দীন বলেন, বিএনপি একেক সময় একেক সমাবেশ করে বিশৃঙ্খলা তৈরি করে, কিছুদিন আগে কাজীর দেউড়িতে মিছিলে নামে পুলিশের উপর হামলা করে মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে। সাধারণ মানুষের সম্পদ ক্ষতিগ্রস্ত করে সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। চট্টগ্রাম-১০ আসনের নৌকার প্রার্থী মহিউদ্দিন বাচ্চুর প্রধান নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও তাণ্ডব চালিয়েছে বিএনপি। এ হলো বিএনপির গণতন্ত্রের নমুনা। তারা কখনো গণতন্ত্রের পক্ষে ছিল না। সবসময় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে যুক্ত ছিল তারা। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে যদি হামলাকারীদের গ্রেফতার করতে হবে। অন্যতায় রাজপথে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা তাদের মোকাবিলা করবে।

আজকের সারাদেশ/১৯জুলাই/এসএম