আজকের সারাদেশ প্রতিবেদন:
চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলকায় বন্যায় আরো ২ মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এনিয়ে বন্যায় মৃতের সংখ্যা দাড়ালো ১৮ তে।
শুক্রবার দিনের বিভিন্ন সময়ে সাতকানিয়ার চরতি ও লারফলা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধার দুজনের মধ্যে একজনের নাম সানজিদা (৪), তবে অন্যজনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
সাতকানিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তারেক মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান বলেন, ‘পৃথক স্থানে দুজনের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে৷ তাদের মধ্যে একজনের নাম সানজিদা।)
এর আগে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৬ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকা থেকে জনের মরদেহ উদ্ধারের কথা জানায় জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. সাইফুল্লাহ মজুমদার।
টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সোমবার রাত থেকে কার্যত পানির নিচে চলে যায় চট্টগ্রামের দক্ষিণ অঞ্চল। পরদিন বিকেল পর্যন্ত পানি বেড়ে তলিয়ে যায় চন্দনাইশ, সাতকানিয়া, লোহাগড়া, বাঁশখালি সহ বিভিন্ন উপজেলা। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সাতকানিয়া উপজেলা। এই উপজেলার সবটাই পানির নিচে ছিল অন্তত ৩০ ঘন্টা। সোমবার রাত থেকে বন্ধ থাকে বিদ্যুৎ। যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে। সাতকানিয়া-বান্দরবান সড়কও তলিয়ে যায় পানিতে। দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎহীন থাকায় বন্ধ হয়ে যায় মোবাইল নেটওয়ার্কও। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থায় ধস নামে পুরো অঞ্চলে। নিরাপদ আশ্রয়স্থলে ছুটতে থাকে বন্যাদুর্গতরা। এতে অনেকেউ তলিয়ে যায় পানির স্রোতে। মঙ্গলবার থেকে তলিয়ে যাওয়াদের মরদেহ ভেসে উঠতে থাকে।
আজকের সারাদেশ/১১আগস্ট/এএইচ