সন্ধ্যা ৭:২৬, সোমবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বঙ্গবন্ধুর তৈরি আইনকে অকার্যকর করার চেষ্টা করছে চবি প্রশাসন

চবি প্রতিনিধি:

সিন্ডিকেটে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত প্রণয়নের মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ১৯৭৩ সালের বঙ্গবন্ধুর তৈরী আইনকে ভেতর থেকে অকার্যকর করার একটা প্রক্রিয়া চালু করেছে চবি প্রশাসন। সিনেটসহ বিভিন্ন প্লানিং কমিটির সিদ্ধান্তকে পাশকাটিয়ে নিজেদের খেয়ালখুশি মতো বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনা করে বিশ্ববিদ্যালয় আইনকে আপনারা অকার্যকর করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন। আপনার পদত্যাগ করা উচিত।

বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বঙ্গবন্ধু চত্বরে ৩ ঘণ্টাব্যাপি প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালনকালে চবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী এ মন্তব্য করেন।

বিতর্কিত নিয়োগসহ নানান অনিয়মের প্রতিবাদে তিনদিন অবস্থান কর্মসূচির পর এবার উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক বেনু কুমার দে’র পদত্যাগের দাবিতে প্রতীকী অনশন কর্মসূচি পালন করেছে চবি শিক্ষক সমিতি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন লঙ্ঘন করে প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও বাংলা ও আইন বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগে শিক্ষক নিয়োগ এবং ব্যাপক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ তুলে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা।

অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, উপাচার্য, উপ- উপাচার্য আমাদের শিষ্টাচার শিখাচ্ছেন। শিষ্টাচার কি শিক্ষক সমিতির নেতৃবৃন্দকে আপনাদের থেকে শিখতে হবে না। উপ-উপাচার্য রসায়নের শিক্ষক। উনি কোন শিষ্টাচারের বিবেচনায় পাঁচটি বিভাগের সাতটি নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ছিলেন? এটা হাস্যকর।

প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. মু. গোলাম কবীর বলেন, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল ফারুক, উনি আইনের কথা বলেন নীতির কথা বলেন। আপনি কত অনিয়ম, দুর্নীতি করেছেন। আমি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে ধারণ করি, এখানে কোনো অনিয়ম, কোনো দুর্নীতি হলে আমার লজ্জা লাগে।

অনশন কর্মসূচিতে আরও উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হক, কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ড. সেকান্দর চৌধুরীসহ অর্ধশতাধিক শিক্ষক।

সর্বশেষ সংবাদ