সন্ধ্যা ৬:১৫, সোমবার, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

স্বাধীনতার প্রতীক নেই তবে একজন মুক্তিযোদ্ধা আছে!

আজকের সারাদেশ প্রতিবেদন:

স্বাধীনতার প্রতীক নেই তবে একজন স্বাধীনতার লড়াকু সৈনিক রয়েছে চকরিয়া-পেকুয়ায় নির্বাচনী মাঠে। আমরা আওয়ামীলীগ সবসময় স্বাধীনতার স্বপক্ষে কাজ করি। কথাগুলো বলেছেন আওয়ামীলীগের কয়েক নেতাকর্মী।

চকরিয়া-পেকুয়ায় নৌকার প্রার্থী শূন্য হয়ে পড়ায় কেন্দ্রীয় নির্দেশনার অপেক্ষায় ছিলো জেলা আওয়ামীলীগ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর গতকাল শনিবার জেলা আওয়ামীলীগ সমর্থন দিয়েছে বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিমকে। আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী সালাহউদ্দীন আহমদ ঋণখেলাপীর দায়ে বাতিল হলে আওয়ামীলীগের প্রার্থী শূন্য হয়ে পড়ে কক্সবাজার -১ আসনটি। তবে দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর শনিবার(২৩ ডিসেম্বর) কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগ বীর মুক্তিযোদ্ধা সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম তথা কল্যাণপার্টিকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন দলটি। চকরিয়ার এক মতবিনিময় সভায় কক্সবাজার জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এড.ফরিদুল ইসলাম এ ঘোষণা দেন।

এসময় তিনি বলেন, আজকে আমরা এখানে এসেছি দলীয় সিদ্ধান্ত জানাতে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ কক্সবাজার -১ আসনটিতে যেহেতু নৌকার প্রার্থী নেই সেহেতু হাতঘড়ি মার্কাকে আওয়ামীলীগ সমর্থন দিয়েছে। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ৩৬০ ডিগ্রি এংগেলে ঘুরে দাঁড়িয়েছে চকরিয়া-পেকুয়ার রাজনৈতিক অঙ্গন।

জেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি ফরিদুল ইসলাম বলেন, সংসদে দাঁড়িয়ে চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষের কথা বলার জন্য যোগ্য মানুষ সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম। মিটিং মিছিল নয় শুধু প্রতিটি মানুষের কাছে গিয়ে হাত ঘড়ির জন্য ভোট চায়বে আওয়ামীলীগ।

এসময় মতবিনিময় সভায় সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম বলেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যেন আমাকে এই পেকুয়া-চকরিয়ার মানুষের জন্য উছিলা বানায়া দেন। আমি নির্বাচিত হলে চকরিয়া-পেকুয়ায় শান্তি চলে আসবে। কোন সন্ত্রাস,চাঁদাবাজ থাকবে না।

দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোন প্রার্থী যদি কাজ করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের এক প্রশ্নে জেলা সভাপতি বলেন, আরবিতে একটি কথা আছে ‘ওয়াদা খেলাফাতুন হুয়াল মোনাফেক’ যারা ওয়াদা খেলাফ করবে তাদেরকে আমরা মোনাফেক হিসেবে বিবেচনা করব। শেখ হাসিনার কাছে গিয়ে আমি মনোনয়ন চেয়েছি আমাকে দেয়নি,অন্যজনকে দিয়েছে তাই বলে কি আমি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে যাবো? এটা কি ওয়াদা খেলাফ নয়? সুতরাং যারা শেখ হাসিনার ওয়াদা খেলাফ করে তারা চকরিয়া-পেকুয়ার মানুষের ওয়াদা খেলাপ করাটা কোন ব্যাপারই নয়।

চকরিয়ার উপজেলা চেয়ারম্যান ফজলুল করিম সাঈদী বলেন, নৌকার প্রার্থী হিসেবে সালাহউদ্দিন ভাইকে চেয়েছিলাম তাকে পায়নি। ইবরাহিম সাহেব একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি ভালো মানুষ। মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। পার্বত্য চট্রগ্রামে শান্তি ফেরাতে কাজ করেছেন। তার পক্ষে আমরা ২০ জন চেয়ারম্যান কাজ করছি। উনি নতুন হলেও আমাদের সব ভোটাররা উনাকেই ভোট দেবেন।

আজকের সারাদেশ/একে

সর্বশেষ সংবাদ