রাত ১২:১৫, মঙ্গলবার, ৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

যে কারণে মাঠে থেকেও খেললেন না দুই সেরা বলী

আজকের সারাদেশ প্রতিবেদন
আবদুল জব্বারের বলীখেলা মানেই একটা সময় ছিল দিদার বলীর দাপট। বছরের পর বছর ধরে রামুর এই বলী এই ঐতিহাসিক বলীখেলায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। তবে তিনি এখন অতীতের পাতায়। এরপর থেকে তাঁর জায়গাটা নেন চকরিয়ার তরিকুল ইসলাম ওরফে জীবন বলী ও কুমিল্লার শাহজালাল বলী।

টানা তিন বছর ধরে এই দুজন শিরোপা ভাগাভাগি করে আসছেন। কিন্তু সেই দুই সেরা বলীই কিনা এবার খেললেন না।

অথচ জীবন ও শাহজালাল-দুজনেই বলীখেলায় অংশ নিতে নিবন্ধনও করেছিলেন। শুরু থেকে ছিলেন লালদীঘি মাঠেও। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দুজনেই নাম প্রত্যাহার করে নিলেন।


কেন দুই বলীর এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত, সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে পাওয়া গেল ক্ষোভের গন্ধ।
জানতে চাইলে জীবন বলী বলেন, আমি একটু অসুস্থ। ইনজুরড হওয়ায় আমার বদলে কুমিল্লার হোমনার বিখ্যাত বলী বাঘা শরীফের নাম প্রস্তাব করেছিলাম। কিন্তু কমিটি সেটা মেনে নেয়নি। সেটি মানতে পারিনি। পরে ক্ষোভে নামই বাদ দেন।


শাহজালাল বলীও একই কারণে নাম প্রত্যাহার করে নিয়ে সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ জানান বাঘা শরীফকে।
পরে অবশ্য দুই বলী সরে যাওয়ায় সুযোগ পান বাঘা শরীফ। সুযোগ পেয়েও কাজে লাগান এই বলী।

চ্যালেঞ্জ ও সেমিফাইনাল রাউন্ড জিতে ফাইনালে ওঠেন বাঘা শরীফ। পরেরটা তো ইতিহাস। কুমিল্লারই আরেক বলী রাশেদকে হারিয়ে বাঘা শরীফ জিতে নিয়েছেন শিরোপা। নিজেরা না খেললেও শরীফের এই অর্জন যেন ছুঁয়ে গেছে জীবন ও শাহাজালালকে। না খেলেও যেন জিতলেন ঐতিহ্যবাহী এই বলীখেলার দুই সেরা ‘তারকা।’

আজকের সারাদেশ/টিএইচ/এমএইচ